বইঃ পর্দা একটি ইবাদাত

সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ নারীদের জন্য পর্দা পালন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত যা আল্লাহ রব্বুল আলামিন নারীদের জন্য ফরজ করেছেন। এই পর্দা কিভাবে করতে হবে? কুর’আন ও হাদীস থেকে পর্দার দলীল সমূহ কি কি? সহ পর্দা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে। বইটি নিজে পড়েন এবং অন্যদের নিকট শেয়ার করুন।
******
Categories: ইসলামী বই | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

সদ্য বিবাহিত ছেলে-মেয়ের জন্য অমুল্য উপদেশ

বিয়ের সময়  পুত্রের উদ্দেশ্যে  পিতার উপদেশ

হে আমার আত্মজ, প্রথমেই আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি এ জন্য যে তিনি আমার জীবনটাকে এতটুকু প্রলম্বিত করেছেন যে আমি তোমার বিয়ের রাত দেখতে পাচ্ছি। তুমি তোমার পুরুষত্বের পূর্ণতায় পৌঁছেছো। আজ তুমি তোমার দীনের অর্ধেক পুরো করতে যাচ্ছো। হ্যাঁ, এখন তুমি সেই জীবন থেকে বেরিয়ে যাচ্ছো যেখানে তুমি একটি মুক্ত বিহঙ্গের মতো ছিলে। কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়া যাচ্ছে তা-ই করেছো এতদিন। কোনো চিন্তা ছাড়াই সমুদ্রে গিয়ে লাফিয়ে পড়েছো। সেখান থেকে তুমি যাচ্ছো এখন এক কর্তব্যপরায়ণতা ও পূর্ণতার জগতে।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: ইসলাম | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

কিভাবে আমরা এক আল্লাহ্‌র কাছে আত্মসমর্পণ করব

আত্মসমর্পণ একটি সর্বজনবিদিত ও পরিচিত শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হ’ল সম্পূর্ণরূপে অন্যের কাছে নতি স্বীকার করা। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ হতে আল্লাহর নিকট নিজেকে সমর্পণ করা বা উৎসর্গ করা। অবশ্য উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে যে কোন ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা হোক না কেন, তাদের মৌলিক অর্থ ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য মোটামুটি সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে আত্মসমর্পণের প্রথম অর্থ নতি স্বীকার সম্পূর্ণরূপে পার্থিব জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে এর কার্যক্রম স্পষ্টতঃই সীমাবদ্ধ। পৃথিবীর প্রাচীন জ্ঞানী-গুণী পন্ডিতগণ তাঁদের গবেষণালব্ধ ফলাফল হ’তে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়াকে শান্তি ও মীমাংসার প্রয়াসে  আন্তর্জাতিক আইনে পরিণত করেন। এর ফলশ্রুতিতেই পৃথিবীর বুকে বিবদমান গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে পারস্পরিক রক্তক্ষয় অপেক্ষাকৃত হরাস পায় এবং সন্ধি-চুক্তির পথ সহজতর হয়। এর ফলে সাধারণত দুর্বলরা সবল বা শক্তিশালীদের অধীনস্থ থেকে কালাতিপাত করে। এমনকি কোন কোন সময় সমঝোতার অভাবে বা একে অন্যের ভুল বোঝাবুঝির এক পর্যায়ে প্রচন্ড যুদ্ধ-বিগ্রহ বেধে যায় এবং শেষ পর্যন্ত শক্তিশালী দলের নিকট দুর্বল দল আত্মসমর্পণ করে। এ প্রক্রিয়ায় দুর্বল বা অত্যাসন্ন পরাজিত দল আত্মরক্ষার মানসে বিজয়ী দলের সম্মুখে প্রকাশ্যভাবে দু’হস্ত উত্তোলনপূর্বক সর্বান্তকরণে আত্মসমর্পণ করে। ফলে সঙ্গে সঙ্গে চরম উত্তেজনার বিশাল রণক্ষেত্রে শান্তির ছায়া নেমে আসে। এতদসঙ্গে স্তব্ধ হয় শত্রুতার যাবতীয় কলা-কৌশল ও প্রতিহিংসার নির্মম ছোবল। শান্তির প্রয়াসে শুরু হয়ে যায় মানবিক আচরণবিধির প্রয়োগ ও তার উত্তম বাস্তবায়ন। বিস্তারিত পড়ুন

Categories: আল্লাহ্ সম্পর্কে | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

আসুন গান-বাজনা থেকে তাওবা করি

প্রকৃতির ধর্ম ইসলাম মানুষের স্বভাব ও প্রকৃতির সুস্থতার স্বার্থেই গান-বাজনাকে নিষিদ্ধ করেছে। গান-বাজনা যেমন আমাদের পরকাল ভুলিয়ে দেয় তেমনি বস্তুজগতকেও দেয় ডুবিয়ে। এ গানের মাধ্যমেই দুর্বল নৈতিকতসম্পন্ন লোকেরা বিশেষত তরুণ প্রজন্ম অবৈধ প্রেম ও লৌকিক ভালোবাসার প্রতি উদ্বুদ্ধ হয়। আর এ প্রেম-ভালোবাসার প্রসাদ খেতে গিয়েই করতে বাধ্য হয় অনেক অপরাধ। পছন্দের মেয়েকে ভালোবাসতে না পারলে তখনই নীতিহীন ও আল্লাহভোলা ছেলেরা ঘটাতে থাকে ধর্ষণ, গুম, এসিডে মুখ ঝলসানোসহ নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আর তা যদি হয় পরকীয়া, তবে এরই সূত্রে ঘটে স্ত্রী কর্তৃক স্বামী খুন এমনকি রাক্ষুসী মায়ের হাতে নিষ্পাপ শিশুকে পর্যন্ত হত্যার ঘটনা।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: ইসলাম | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

বারমুডা ট্রাইএঙ্গেল এবং দাজ্জাল

  Download

বারমুডা ট্রাইএঙ্গেল এবং দাজ্জাল

Categories: ইসলামী বই | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ঈদঃ তাৎপর্য,করনীয় ও বর্জনীয়

ঈদের সংজ্ঞা :

ঈদ আরবী শব্দ। এমন দিনকে ঈদ বলা হয় যে দিন মানুষ একত্র হয় ও দিনটি বার বার ফিরে আসে। এটা আরবী শব্দعاد يعود থেকে উৎপত্তি হয়েছে। যার অর্থ ফিরে আসা। অনেকে বলেন এটা আরবী শব্দ العادة আদত বা অভ্যাস থেকে উৎপত্তি হয়েছে। কেননা মানুষ ঈদ উদযাপনে অভ্যস্ত। সে যাই হোক, যেহেতু এ দিনটি বার বার ফিরে আসে তাই এর নাম ঈদ। এ শব্দ দ্বারা এ দিবসের নাম রাখার তাৎপর্য হলো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এ দিবসে তার বান্দাদেরকে নেয়ামত ও অনুগ্রহ দ্বারা বার বার ধন্য করেন ও বার বার তার এহসানের দৃষ্টি দান করেন। যেমন রমজানে পানাহার নিষিদ্ধ করার পর আবার পানাহারের আদেশ প্রদান করেন। ছদকায়ে ফিতর, হজ-যিয়ারত, কুরবানীর গোশত ইত্যাদি নেয়ামত তিনি বার বার ফিরিয়ে দেন। আর এ সকল নেয়ামত ফিরে পেয়ে ভোগ করার জন্য অভ্যাসগত ভাবেই মানুষ আনন্দ-ফুর্তি করে থাকে।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: রমজান | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ঝগড়া-বিবাদ মানুষের স্বভাবের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত

ঝগড়া-বিবাদ করা মানুষের স্বভাবের সাথে জড়িত। প্রাকৃতিক ভাবে একজন মানুষ অধিক ঝগড়াটে স্বভাবের হয়ে থাকে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আর আমি এই কুরআনে মানুষের জন্য সকল প্রকার উপমা বিস্তারিত বর্ণনা করেছি। আর মানুষ সবচেয়ে বেশি তর্ককারী[সূরা কাহাফ– আয়াত: ৫৪] অর্থাৎ, সবচেয়ে অধিক ঝগড়া-কারী ও প্রতিবাদী; সে সত্যের পতি নমনীয় হয় না এবং কোন উপদেশ-কারীর উপদেশে সে কর্ণপাত করে না। [তাফসীরে কুরতুবী ২৪১/৮]

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: আত্নশুদ্ধি | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

প্রশংসনীয় বিতর্কের উনিশটি শর্ত

আমরা যখন কোন বিষয়ে বিতর্ক করতে যাব, তখন আমাদের বিতর্কে যাওয়ার পূর্বে কি কি শর্তাবলী মেনে চলা উচিত, তা অবশ্যই জানা থাকতে হবে। প্রশংসনীয় বিতর্কের শর্তাবলী নিম্নরূপ:

এক. বিতর্ক হবে একমাত্র আল্লাহর জন্য। বিতর্ক দ্বারা বরকত লাভ ও ফায়েদা হাসিলের জন্য এখলাস হল পূর্বশর্ত। কারণ, তর্কের উদ্দেশ্য হল, সত্য উদঘাটন করা এবং হককে জানা। এ কারণে এ বিষয়ে বিতর্কে যাওয়ার পূর্বে আল্লাহর ভয় অন্তরে বিদ্যমান থাকতে হবে এবং সদিচ্ছা ও সুন্দর নিয়ত থাকতে হবে। তাহলেই বিতর্ক দ্বারা অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছা যাবে।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: আত্নশুদ্ধি | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

মক্কার মুশরিকরা কেমন ছিল?

মক্কার মুশরিকদের যদি জিজ্ঞাসা করা হত, বলতো, তোমাদের কে সৃষ্টি করেছেন? এই আকাশ-জমিন কে সৃষ্টি করেছেন? আশ্রয় দেয়ার মালিক কে? কার হাতে সকল কিছুর কর্তৃত্ব? এই প্রশ্নগুলোর জবাবে তারা বলতো,আল্লাহ।
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ

বল,তোমরা যদি জান তবে বল, এ যমীন ও এতে যারা আছে তারা কার? অচিরেই তারা বলবে, আল্লাহর । বল, তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? বল, কে সাত আসমানের রব এবং মহা আরশের রব? তারা বলবে, আল্লাহ। বল, তবুও কি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে না? বল, তিনি কে যার হাতে সকল কিছুর কর্তৃত্ব, যিনি আশ্রয় দান করেন এবং যাঁর ওপর কোন আশ্রয়দাতা নেই? যদি তোমরা জান। তারা বলবে, আল্লাহ। বল, তবুও কীভাবে তোমরা মোহাচ্ছন্ন হয়ে আছ? [সূরা মুমিনূনঃ ৮৪-৮৯]

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: ইতিহাস | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

লাইলাতুল কাদর- রমাদানের উপহার

সূরা কাদর
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

১ নিশ্চয়ই আমি এটা অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে;
২ তুমি কি জান সেই মহিমান্বিত রজনীটি কি ?
৩ মহিমান্বিত রজনী সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম।
৪ ঐ রাত্রিতে ফেরেশতাগণ ও (তাদের সর্দার) ‘রুহ’ অবতীর্ণ হর প্রত্যেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে।
৫ শান্তিই শান্তি, সেই রজনী ঊষার অভ্যুদয় পর্যন্ত।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: রমজান | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Blog at WordPress.com.