শেষ দিবস,,

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: শেষ দিবসের উপর বিশ্বাস স্থাপন করা ঈমানের ছয়টি মূল ভিত্তি ও রুকন  সমূহের মধ্যে অনতম ভিত্তি ও রুকন।মানুষের আত্মার সংশোধন তার আল্লাহভীতি ও আল্লাহর দিনে অবিচল অনড় থাকার জন্য শেষ দিবস সম্পর্কে জ্ঞান থাকা অত্তন্ত জরুরি। উক্ত দিনের ভয়াবাহতা, আতঙ্ক, মৃত্যু সম্পর্কীয় বিষয়াদি, কিয়ামত ও এর নিদর্শন, জাহান্নাম ও এর আযাব, জান্নাত ও এর বিবরন কুরআন ও সহীহ  হাদিস এর আলোকে সহজ ও সুন্দরভাবে উপরোক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি আলোচনা করা হয়েছে এই শেষ দিবস বইটিতে।

Download [1.4MB]

*******

Categories: পরকাল | মন্তব্য দিন

বইঃ শিশু প্রতিপালন,,

সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ শিশু পিতা মাতার নিকট কি অধিকার রাখে, তাদের নিকট তার প্রাপ্য হক কি, কি কি যত্ন পাওয়ার সে যোগ্য, সন্তান প্রতিপালন করার মূল লক্ষ্য কি হওয়া উচিত, এবং তার বুনিয়াদই বা কি হওয়া উচিত, সে সব কথাই সংক্ষিপ্ত আকারে কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে আলোচিত হয়েছে এই বইটিতে। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।

ডাউনলোড/Download [2.5 MB]

*******

 

Categories: ইসলামী বই | মন্তব্য দিন

যে চৌদ্দটি আমলে রিজিক বাড়ে,,

মুসলিম মাত্রেই বিশ্বাস করেন যে তার আয় ও উপার্জন, জীবন ও মৃত্যু,  এবং সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্য ইত্যাদি র্নিধারণ হয়ে যায় যখন তিনি মায়ের উদরে থাকেন। আর এসব তিনি লাভ করেন তার জন্য বরাদ্দ উপায়-উপকরণগুলোর মাধ্যমে। তাই আমাদের কর্তব্য হলো হাত গুটিয়ে বসে না থেকে এর জন্য র্নিধারিত উপায়-উপকরণ সংগ্রহে চেষ্টা করা। যেমন চাষাবাদ, ব্যবসায়-বাণিজ্য, শিল্প-চারু, চাকরি-বাকরি বা অন্য কিছু। আল্লাহ তা‌‘আলা বলেন,

﴿هُوَ ٱلَّذِي جَعَلَ لَكُمُ ٱلۡأَرۡضَ ذَلُولٗا فَٱمۡشُواْ فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُواْ مِن رِّزۡقِهِۦۖ وَإِلَيۡهِ ٱلنُّشُورُ ١٥﴾ [الملك: ١٥] 

‘তিনিই তো তোমাদের জন্য যমীনকে সুগম করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা এর পথে প্রান্তরে বিচরণ কর এবং তাঁর রিযক থেকে তোমরা আহার কর। আর তাঁর নিকটই পুনরুত্থান।’ {সূরা আল-মুলক, আয়াত : ১৫}

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: ইবাদত | মন্তব্য দিন

ইমাম বুখারী (রহ.) এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

ভূমিকা:

ইমাম বুখারী। কাল প্রবাহে একটি বিস্ময়ের নাম। স্মৃতির প্রখরতা, জ্ঞানের গভীরতা, চিন্তার বিশালতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, অটুট সততা আর বিশাল পর্বত সম হিম্মতের এক মূর্ত প্রতীক এই মহাপুরুষ। তিনি ইলমে হাদীসের এক বিজয়ী সম্রাট। তার সংকলিত হাদীসের মহামূল্যবান সংকলন সহীহুল বুখারী বিশুদ্ধতার ক্ষেত্রে আল্লাহর কিতাব মহা গ্রন্থ আল কুরআনের পরেই যার অবস্থান। কিয়ামত পর্যন্ত সমগ্র মুসলিম উম্মাহ তার সাধনার কাছে ঋণী। আসুন, খুব সংক্ষেপে আমরা এই মনিষীকে জানার চেষ্টা করি।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: ইসলামী বই | মন্তব্য দিন

মানব জাতির প্রতি ফেরেশতাদের দো‘আ ও অভিশাপ পর্ব – ২

পর্ব ১ | পর্ব ২

মানব জাতির প্রতি ফেরেশতাদের অভিশাপ : 

ফেরেশতামন্ডলী মানুষের উত্তম গুণাবলীর কারণে যেমন তাদের জন্য দো‘আ করেন, তেমনি মানুষের ঘৃণ্য দোষ, অসৎ কাজ ও অপকর্মের কারণে তাদের জন্য বদদো‘আ করেন বা অভিসম্পাত করেন। যাদের জন্য ফিরিশতাগণ বদদো‘আ করেন, তাদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে পেশ করা হ’ল।-

১. ছাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে খারাপ মন্তব্যকারী : 
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর ছাহাবীদেরকে গাল-মন্দ করতে নিষেধ করেছেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) বলেন,

 لاَ تَسُبُّوْا أَصْحَابِيْ لاَ تَسُبُّوا أَصْحَابِيْ فَوَالَّذِيْ نَفْسِيْ بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا أَدْرَكَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلاَ نَصِيْفَهُ- 

‘তোমারা আমার ছাহাবীদেরকে গালি দিও না। তোমরা আমার ছাহাবীদেরকে গালি দিও না। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ওহোদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ দান করে, আমার ছাহাবীদের এক মুদ বা অর্ধ মুদ পরিমাণ (শস্য) দানের সমান ছওয়াব পাবে না’। [১]

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: ইসলামী বই | মন্তব্য দিন

জুম’আর দিনের ফযীলত

উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য জুম’আর দিনের ফযীলত সমূহ

১) সূর্য উদিত হয় এমন দিনগুলোর মধ্যে জুম’আর দিন হল সর্বোত্তম দিন। এ দিনে যা কিছু ঘটেছিল তা হলঃ

(ক) এই দিনে আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল,

(খ) এই দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল,

(গ) একই দিনে তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল [মুসলিমঃ৮৫৪],

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: জুম’আর বিবিধ | মন্তব্য দিন

জুম’আর হুকুম ও ইতিকথা

জুম’আর সালাত ফরজ; তবে ঐ সব পুরুষদের জন্য, যাদের উপর জামা’আতে সালাত আদায় করা ওয়াজিব।

আল্লাহ তায়ালা বলে,

يٰأَيُّهَا الَّذينَ ءامَنوا إِذا نودِىَ لِلصَّلوٰةِ مِن يَومِ الجُمُعَةِ فَاسعَوا إِلىٰ ذِكرِ اللَّهِ وَذَرُوا البَيعَ ۚ ذٰلِكُم خَيرٌ لَكُم إِن كُنتُم تَعلَمونَ

 “হে মু’মিনগণ! জুম’আর দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হবে তখন তোমরা আল্লাহর স্মরনে ধাবিত হও এবং ক্রয় বিক্রয় ত্যাগ কর, এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা উপলব্ধি কর।” (সূরা জুম’আঃ৯)

উল্লেখ্য যে, فَاسعَوا  ‘ফাস’আউ’ শব্দের অর্থ এখানে দৌড়ানো উদ্দেশ্য নয়। অর্থাৎ আযান হওয়া মাত্র সকল কাজ বাদ দিয়ে সালাত আদায়কে সবকিছুর উপর গুরুত্ব ও প্রাধান্য দিতে হবে। এখানে এই অর্থই বোঝানো হয়েছে। সালাতে দৌড়ে আসতে হবে- এটা বুঝান হয়নি। কারণ দৌড়ে এসে সালাতে শরীক হওয়ার ব্যপারে হাদীসে নিষেধাজ্ঞা আছে। সালাতে আসতে হয় খুশু-খুযু, ভয়-ভীতি ও বিনয়ের সঙ্গে।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: জুম’আর বিবিধ | মন্তব্য দিন

জুম’আর আদব

। জুম’আর দিন গোসল করা। যাদের উপর জুম’আ ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসুল (সাঃ) ওয়াজিব করেছেন(বুখারীঃ ৮৭৭, ৮৭৮, ৮৮০, ৮৯৭, ৮৯৮)। পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে সেদিন নখ ও চুল কাটা একটি ভাল কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: জুম’আর বিবিধ | মন্তব্য দিন

জুম’আর নামাজের ফযীলত

 

১। কুরবানী করার সমান সওয়াব অর্জিত হয়ঃ

দিনে আগে ভাগে মসজিদে গেলে দান-খয়রাত বা পশু কুরবানী করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়া যায়। আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত এক হাদীসে রাসুল (সাঃ) বলেছেন,

 “যে ব্যাক্তি জু’আর দিন ফরজ গোসলের মত গোসল করে প্রথম দিকে মসজিদে হাজির হয়, সে যেন একটি উট কুরবানী করল, দ্বিতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করে সে যেন একটি গরু কুরবানী করল, তৃতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ছাগল কুরবানী করল। অতঃপর চতুর্থ সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে গেল সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল। আর পঞ্চম সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। অতঃপর ইমাম যখন বেরিয়ে এসে মিম্বরে বসে গেলেন খুৎবার জন্য, তখন ফেরেশতারা লেখা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যায়।” (বুখারীঃ ৮৮১, ইফা ৮৩৭, আধুনিক ৮৩০

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: জুম’আর বিবিধ | মন্তব্য দিন

জুম’আর বিবিধ মাসআলা

 প্রশ্নঃ জুম’আর ফরজের আগে ও পরে কত রাকআত সালাত আদায় করব?

উত্তর- আমরা সকলেই জানি যে, জুম’আর ফরজ হল ২ রাকআত। আর সুন্নাত হল- ফরজের আগে দুই রাকআত (তাহিয়্যাতুল মাসজিদ) এবং পরে চার রাকআত বা দুই রাকআত। আর বাইরে ফরজের আগে অতিরিক্ত নির্দিষ্ট সংখ্যক কোন সালাত নেই। তএ দুই দুই রাকআত করে যে যত রাকআত ইচ্ছা নফল হিসেবে আদায় করতে পারে। উল্লেখ্য যে, প্রচলিত কাবলাল জুম’আ শিরোনামে চার রাকআত বিশিষ্ট কোন সালাত সহীহ হাদিসে পাওয়া যায় না। খুৎবার আগে এক সালামে চার রাকআত আদায়ের পক্ষে দলীল হিসাবে আনীত হাদিসটির সনদ খুবই দুর্বল যা গ্রহণযোগ্য নয়। তবে কমপক্ষে দুই রাকআত ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ সালাত পড়তেই হবে। এমনকি ইমাম সাহেবের খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলেও। তবে যারা আগে থেকেই দুই রাকআত তাহিয়্যাতুল মাসজিদ সালাত আদায় করে বসে আছেন, তারা খুৎবার সময় কোন নামাজ পড়বে না।

বিস্তারিত পড়ুন

Categories: জুম’আর বিবিধ | মন্তব্য দিন

Blog at WordPress.com.